পেশাজীবী সংগঠন হিসেবে সমিতির নীতিনির্ধারণী ভূমিকা

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার দেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে  অন্যতম অপরিহার্য শক্তি। ক্যাডার সদস্যদের একমাত্র পেশাজীবী প্ল্যাটফর্ম  হিসেবে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি প্রতিনিধিত্ব করছে। বর্তমান বাস্তবতায় পেশার অধিকার প্রতিষ্ঠা ও দাবি আদায়ে সমিতির কার্যক্রমের পাশাপাশি রাষ্ট্রের লক্ষ্য অর্জনে Policy প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে পেশাজীবি সংঠন হিসেবে আমাদের Contribute করতে হবে।

শিক্ষায় দেশের সবচাইতে বৃহৎ খাত “সাধারণ শিক্ষা” যার ব্যবস্থাপনার পুরো দায়িত্বই এ বিশেষায়িত ক্যাডারের উপরই বর্তায়। যে উদ্দেশ্য নিয়ে সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার গঠন করা হয়েছিলো তা অদ্যাবধি পূর্ণতা পায়নি। ব্রিটিশদের চাপিয়ে দেয়া আমলাতন্ত্র ও ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর সামরিক শাসক ও তাদের মদদে পরিচালিত সৃষ্ট সরকার শিক্ষার প্রসার ও মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখেনি। ফলে দেশ পিছিয়েছে বারবার। কিন্তু জাতির সকল আশা-আকাংখার প্রতীক হয়ে আবির্ভূত হয়েছেন জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমরাও আজ আশাবাদী। তাই ২০৪১ এর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণে ২০৩০ এ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ৪ অর্জনে ভূমিকা রাখার ক্ষেত্রে শিক্ষা ক্যাডারকেই নিতে হবে দায়িত্ব। আমরা অভীষ্ট অর্জনে সরকারকে যেমন পরামর্শ দিতে চাই তেমনি আমদের উপর অর্পিত রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

আমাদের সংবিধান, জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার, সর্বোপরি জাতির পিতার স্বপ্নকে সমন্বয় করে শিক্ষা ক্যাডারের পক্ষ থেকে পরামর্শ দেয়া জরুরি। রাষ্ট্রের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনে এসকল পরামর্শ আমাদের পেশাগত দায়িত্বের অংশও বটে।

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের মাধ্যমে ২০৪১এর বা ২১০০ এর বাংলাদেশে পৌঁছতে হলে আমাদের contributionগুলোতে থাকবে Policy study, Problem Identifications, সৃজনশীল Ideas, Different Activities, Working Strategy, Challenges,  Way out, Resources, Outcomes, Time Table, Application of Technology…….